IGNOU MTT 3 SOLVED ASSIGNMENT HINDI

MTT 3 Solved Assignment
High Demand Verified Solution
★★★★★ 4.8/5 (3432 Students)

₹80

₹30

MTT 3: Bangla Aur Hindi Ke Vibhinna Bhashik Kshetroan Mein Anuvad

Title Name IGNOU MTT 3 SOLVED ASSIGNMENT HINDI
Type Soft Copy (E-Assignment) .pdf
University IGNOU
Degree PG DIPLOMA PROGRAMMES
Course Code PGCBHT
Course Name Post Graduate Certificate in Bangla-Hindi Translation
Subject Code MTT 3
Subject Name Bangla Aur Hindi Ke Vibhinna Bhashik Kshetroan Mein Anuvad
Year 2026
Session -
Language English Medium
Assignment Code MTT 3/Assignment-1/2026
Product Description Assignment of PGCBHT (Post Graduate Certificate in Bangla-Hindi Translation) 2026. Latest MTT 003 2026 Solved Assignment Solutions
Last Date of IGNOU Assignment Submission Last Date of Submission of IGNOU BEGC-131 (BAG) 2025-26 Assignment is for January 2026 Session: 30th September, 2026 (for December 2025 Term End Exam).

Semester Wise
January 2025 Session: 30th March, 2026 (for June 2026 Term End Exam).
July 2025 Session: 30th September, 2025 (for December 2025 Term End Exam).
FormatReady-to-Print PDF (.soft copy)

📅 Important Submission Dates

  • January 2026 Session: 31st March, 2026
  • July 2026 Session: 30th September, 2026

Why Choose Our Solved Assignments?

• Accuracy: Solved by IGNOU subject experts.
• Guidelines: Strictly follows 2025-26 official word limits.
• Scoring: Designed to help students achieve 90+ marks.
📋 Assignment Content Preview
Included:

MTT 003 (January 2026 - July 2026) - HINDI

बांग्ला-हिंदी के विभिन्न भाषिक क्षेत्रों में अनुवाद (एम.टी.टी.-003)
(जनवरी 2025 और जुलाई 2025 सत्रों के लिए)

कार्यक्रम कोड : पी.जी.डी.टी.पी.
पाठ्यक्रम कोड : एम.टी.टी.-003
सत्रीय कार्य : एम.टी.टी.-003 / एएसटी / (टी.एम.) / 2025
अधिकतम अंक : 100

निम्नलिखित प्रश्नों के उत्तर दीजिए।

1- भारत में भाषाई विविधता के बारे में बताते हुए यहाँ अनुवाद की आवश्यकता को रेखांकित कीजिए। 10

अथवा

बांग्ला से हिंदी या फिर हिंदी से बांग्ला में कविता का अनुवाद करते समय किस तरह की सावधानियों का ध्यान रखना आवश्यक होता है। 10

2- निम्नलिखित शब्दों के बांग्ला और हिंदी पर्याय बताते हुए इनका शब्दों में प्रयोग कीजिए। 10

धूप — सरकार — प्रतिष्ठा — अपवाद — मूल
संपर्क — गोष्ठी — दरबार — स्रोत — अध्यापक

3- निम्नलिखित अंशों का हिंदी में अनुवाद कीजिए। 5×2

(क)

যেখানে পথের নিচে
ছা হেঁটে চলে
চোখে দেখে একটুখানি
কখনো কাগজ খোঁজার মতো,
সংসারের ভার যত ভাল মন্দ ইচ্ছাগুলোর
নানান বিষয়ে
ভাবনার নিঃশব্দ হয়ে

নয় ফুটেছে
মাথায় ঘোমটা দেওয়া আলো।

সেখানে দাঁড়ালো
সারা অঙ্গে পাঁউটারের ক্ষতি মেখে
ভয় ভাবনায় রঙে
সমস্ত ঘটিয়ে
দুই বুকে তীব্র দুটি বরণ ফুটিয়ে
প্রশ্নকল।

(খ)

কোনো ঝড়ে
কোথাও নদীর চেয়েও
কেনো এর সমুদ্রের জল

কোনো এক সমুদ্রের জল
স্বপ্নের সাথে দু’চোখ ভাসানোর মতো মিশে
সেইটে এক ভোরবেলা শতাব্দীর সূর্যের নিকটে
আমাদের জীবনের আলোড়ন—
হয়তো বা জীবনকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল।।
অন্য এক আকাশের মতো চোখ নিয়ে
আমার এসেছি
আমরা যেতেছি
স্বপ্নীয় উত্তরাধিকারে কোনো পাখি বেঁচে ভেবে
একদিন ভালোবেসে খুঁজি।

4- নিম্নलिखিত अंशों का हिंदी में अनुवाद कीजिए

(क)

জার্মানী ও পাঞ্জাবের মত জার্মানীও ছ’ টুকরোয় হয়েছে কিন্তু কলকাতা বা লাহোরের মত বার্লিন আর সেই আগের মত নেই। একটা নয়, দুটো নয়, চার চারটে টুকরোয় ভাগ হয়েছে বার্লিন—ব্রিটিশ সেক্টর, ফ্রেঞ্চ সেক্টর, আমেরিকান সেক্টর ও রাশিয়ান সেক্টর। আমেরিকান ফ্রেঞ্চ-এর তিনটি সেক্টর নিয়েই আজকের পশ্চিম বার্লিন ও রাশিয়ান সেক্টর হচ্ছে পূর্ব বার্লিন। পশ্চিম বার্লিন বাহ্যত ও কার্যত মুক্ত হলেও মাইনত সাজও ইঙ্গ-ফরাসী আমেরিকার অধীন। শহরটাকে চতুর্দিকে চক্কর দিতে গিয়ে বার বার নজরে পড়ে, এই আর বি.এম. ব্রিটিশ সেক্টর, এই আর ফ্রেঞ্চ সেক্টর অথবা আমেরিকান সেক্টর।

বিরাট ও বিচিত্র শহর হচ্ছে বার্লিন। বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে বার বার এর উল্লেখ। আয়তনে পূর্ব বার্লিনের চাইতে পশ্চিম বার্লিন দ্বিগুণ বড়। দুটি বার্লিন একত্রে ওয়াশিংটনের কাছে বিভিন্ন। অর্থাৎ পশ্চিম বার্লিনের আমেরিকান সেক্টরটি প্যারিসের চাইতে বড়।

দুটি জার্মানী, দুটি বার্লিন দিন-রাত্রির মত সত্য হলেও তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কই আছে, শুধু পশ্চিম জার্মানীর। পশ্চিম বার্লিন আরব, ইসরায়েল কনসালদের আবাস। সেই কনসাল জেনারেলের অফিসে রাজনৈতিক বিভাগের প্রধান হতে চলেছে।

সাধারণত কনসাল জেনারেলের অফিসের দুটি কাজ। কনসুলার ও কমার্শিয়াল। অর্থাৎ পাসপোর্ট-ভিসা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপারে সাহায্য-সহযোগিতা করা। কোন কোন ক্ষেত্রে এর সঙ্গে প্রচার বিভাগ। বার্লিন যদি সামরিকিকরণের মত একটা বিরাট শহর ও ব্যবসা কেন্দ্র হত, তাহলে ঐ দুটি-তিনটি কনসাল-জেনারেলের অস্তিত্বের কাজ হত। কিন্তু বার্লিন আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। পৃথিবীর দুটি বিবাদমান শক্তি এখানে মুখোমুখি। তাই তো শুধু পাসপোর্ট-ভিসা আর এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের কাজ নয়।

কাউকে নয়, কেবল কলকাতার কনসুলেটের অফিসিয়াল বিভাগের কাজকর্ম, প্রধান লক্ষ্য। এখানে সেই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিভাগের প্রধান হয়ে আছেন।

পূর্ব পাকিস্তানের ভারতীয় কূটনৈতিক মিশন নেই, যদিও সেই আমাদের ভূখণ্ড নয় কলকাতা-কেন্দ্রের। বিশেষত মধ্যস্থ প্রসঙ্গে বিভিন্ন দেশ পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের স্থল, জল-ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তাই তো আছে এই মিশন।

বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাগজের কাজে বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাহিনি হাতে পোড়ে বোম্বে। পশ্চিম বার্লিন পশ্চিম জার্মানির অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে জার্মানী ধরে চাইলেই পশ্চিম জার্মানির সঙ্গে বেশ সহযোগী সম্পর্কের পশ্চিম বার্লিনে কাজ করেন। বার্লিনে ইউরোপে যত মিলিটারি পুলিশের ক্যাম্প, এক্সপোর্টে চলল। মাটি উড়ে গেল ইস্ট-বার্লিন চালাতে পূর্ব জার্মানি। মাটির তলায় যে ইস্ট-বার্লিন চত্বর পশ্চিম জার্মানি। শুধু একজন হাজার পূর্ব বার্লিনবাসী প্রতিদিন চাকরি করতে আসে পশ্চিমে, কেন এক হাজার পশ্চিমের বার্লিনবাসী নিয়ে যায় পূর্বে চাকরি করতে।

বার্লিনের মজার কাহিনি অনেক আছে। পশ্চিম বার্লিন থেকে যে বাইরে চলা ট্রেনটি হয় প্রতিদিনই করে, তাদের দেখে যে পূর্ব বার্লিনকে পাশ কাটায়। অন্তত পরের কুলনা না বুঝিয়ে হবে, কলকাতা থেকে দিল্লিতে গিয়ে বিভিন্ন পার্লামেন্টের সভা হয়? কলকাতার মত পূর্ব জার্মানির বিজ্ঞানের বড় শহর? পশ্চিম বার্লিনের জনবহুল ও ধনী। এ বিভেদের কারণে তা-ই হোক সময়ে পূর্ব বার্লিন নিয়ে বিভিন্ন দেশের। আবার আমেরিকান সরকারের সঙ্গে এ অবস্থার পরেও পশ্চিম জার্মানির। পৃথিবীর অন্যতম রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পশ্চিম বার্লিনের হাজার হাজার কর্মী, নিয়ত আসেন।

এই বার্লিন-পশ্চিম বার্লিন একটা অংশ। পশ্চিম বার্লিনের কূটনৈতিক, আন্তর্জাতিক একেবারে শহরের মধ্যে। কলকাতার কনসাল জেনারেলের দপ্তর শুধু না। অনেক পক্ষ আছেন আর কি! আমেরিকান কনসুলেটও বেশ ঝকঝকে। কনসুল জেনারেলের বাড়ি যে বার্লিনের ভিতর থেকে মাইনহাউস দূরে চলে এলেন চা-খানা করতে হয় না।

(গ)

‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদনা শুরু করেন বুদ্ধদেব ১৯৩৫ সালে। এই সময় থেকে ১৯৪১ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের নতুন বই বেরিয়েছে অজস্র, তিরিশটি, আর তাঁর রচনাবলীরও কয়েকটি খণ্ড বেরিয়ে গেছে এর মধ্যে। আজ ‘কবিতা’ পত্রিকার পুরোনো সংখ্যাগুলি হাতে পেলে আমরা দেখব, কতখানি বিস্তৃত অধ্যায় নিয়ে তখন এই বইগুলির বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সম্পাদক, মুক্তমনে বরণ করে নিচ্ছেন প্রবীণ কবির প্রায় অনতিক্রান্ত প্রতিভাকে। গদ্যে আর পদ্যে এই শেষ ছয় বছরে মধ্যেও রবীন্দ্রনাথ যে বিহারের পরীক্ষা করেছেন অনেক, তার কোনোটি চোখ এড়িয়ে যায়নি বুদ্ধদেবের, সবকটি বিষয়েই তাঁর উচ্ছ্বাস শুনতে পাব আমরা ‘কবিতা’র পাতায়, আর এর থেকে শিখতেও চেয়েছেন তিনি অনেকটা। তাঁর মানে এই যে, রবীন্দ্রনাথের শেষপর্বের রচনাবলী তাঁর মনোযোগেরই বিষয় ছিল, সেটা তাঁর অভিজ্ঞতার বাইরের ব্যাপার নয়।

এও ঠিক যে ‘পূরবী’র কবিতাগুলি তাঁর সত্তা-চেতনাকে মুগ্ধ করেছিল, এ-বিষয়ে পরে একটি কবিতাও লিখেছেন তিনি; সাহিত্যিক জয়ন্তীর উৎসবে, তাঁর তেইশ বছর বয়সে, ‘পূরবী’র সঙ্গে ‘প্রহরা’কে মিলিয়ে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন বুদ্ধদেব, এমন কবিতার এমন একটি গভীর বিবাদ আছে যা সহজে কল্পনা না, যা সত্যিকারেই।

(घ)

পৃথিবীর অদ্ভুত চঞ্চলতা! প্রভাত হয়ে গেল, কিন্তু এখনো একটি পাখিও উঠছে না। তার পাখার তলে বসে ইটপাথরের তালিকায় শেয়ালের মতোই ব্যস্ত। অন্যান্য দিন একটা দুটো মেঘ দেখা যায়। উঠে কয়েক ঘর থেকে আসা-যাওয়ার শব্দ। অনেক দূর থেকে লাল রঙের একটা ট্রেন যেন নেমে আসে ধীর গতিতে। আজও ট্রেনের গতি যেন থেমে গেছে। কোথাও কোনো শব্দ নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিঃশব্দ বাতাস এসে শরীর ছুঁয়ে যায়। মনে হয়, পৃথিবী যেন একেবারে নিশ্চুপ হয়ে আছে।

অথচ কাল একটা পাখিও নেই।

বাতাসের কোনো চিহ্নই নেই। চারদিকে শুধু নিস্তব্ধতা। কোথাও কোনো শব্দ নেই। মনে হয়, আজ পৃথিবীর সমস্ত মানুষ যেন ঘুমিয়ে আছে। এই আকস্মিক নিস্তব্ধতার মধ্যে যেন কেউ কথা বলতে ভুলে গেছে। অনেকক্ষণ ধরে বসে থাকলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। চারপাশে শুধু অন্ধকার। মনে হয়, পৃথিবীর কোথাও কোনো প্রাণ নেই।

বুদ্ধি বলে, অসম্ভব। এমন হতে পারে না। নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও মানুষ আছে। রাস্তায় হয়তো কেউ বেরিয়ে পড়েছে। কিন্তু কোনো শব্দ শোনা যাচ্ছে না। চারপাশের নিস্তব্ধতা আরও গভীর হয়ে উঠেছে। মনে হচ্ছে, প্রকৃতি নিজেই যেন থেমে গেছে।

পাখিরা কোথায় গেল? গাছের পাতাগুলোও নড়ছে না। আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, মেঘগুলোও যেন স্থির হয়ে আছে। দূরে কোথাও কোনো আলো নেই। এই অদ্ভুত নীরবতার মধ্যে হঠাৎ মনে হলো, কেউ যেন খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ফিরে তাকিয়েও কাউকে দেখা গেল না।

শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম, চারদিকে শুধু নিস্তব্ধতা। চোখের সামনে পৃথিবীটা যেন এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেছে। সমস্ত শব্দ, সমস্ত ব্যস্ততা, সমস্ত কোলাহল যেন কোথাও হারিয়ে গেছে। মানুষ, পাখি, গাছপালা—সবকিছুই যেন গভীর কোনো অপেক্ষায় রয়েছে।

(ঙ)

ইউরোপের সবচাইতে গরীব দেশ পর্তুগালে আইন আছে, রাজধানী লিসবনে সবাইকে জুতো পরতে হবে। পরমা কোথায়? লিসবনে হাজার হাজার মানুষের জুতো কেনার সামর্থ্য নেই; তবু জুতোর মতই একটা কিছু পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় এই হতভাগ্য মানুষের দল। দূর থেকে পুলিশ দেখলেই পরে নেবে। আবার পুলিশ একটু দূরে চলে গেলেই খুলে পকেটে রেখে দেয়।

চোখ মেলে চারিদিক দেখতেই এমন দেখা যায়, জানা যায়। ট্যুরিস্টের মত শুধু বাহিক চোখের দেখাই ডিপ্লোম্যাটের কাজ নয়। আরো অনেক কিছু দেখতে হয়, জানতে হয় এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়। দশটি-পনেরটি চাকরি করলে ভ্রাতৃত্ব সেন্ট্রাল-এর বার্ষিক শেষ হয়, কিন্তু কেলেঙ্কারি বা বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পাতিয়ে দিয়ে শেষ করা যায় না। আবার যা কিছুই খবর ডিপ্লোম্যাটকে সংক্রান্ত রাখতে হয় গোপন খবর জানার জন্য। হাজার লোক ডিপ্লোম্যাটরা মর্যাদাসম্পন্ন ও স্বীকৃত গুপ্তচর ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রেসম্পি, আগ্রাসনটিও শুধু বুদ্ধি মাত্র। কোন কাগজে টুয়ে ভেঙে দিয়ে খবর যোগাড় করার কারণ নয়। অন্যায় দেশের মতিভ্রম হয়ে নিজের দেশের সুবিধা করে দেওয়া অর্থাৎ স্বার্থরক্ষাই ডিপ্লোম্যাসির একমাত্র কর্ম। এসব কথা, সারা পৃথিবীর সমস্ত ডিপ্লোম্যাটরা জানেন। হিন্দিয়ান ডিপ্লোম্যাটরাও জানেন।

সব জেনেও চলছে এই ছুঁচোচুরি খেলা। এক-এক দেশে এক-এক রকমের ছুঁচোচুরি খেলা চলে। মজার বা ওয়াশিংটনের যে কোন ডিপ্লোম্যাটিক মিশনে যান। দেখবেন, কেউ কোন ধরে বসে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছেন না। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, তবু পরমা নেই। ভেতরের গার্ডেনেই কথাবার্তা হবে। কেন? যেন আবহাওয়া, মুখের জল। কোথায় নিয়ে কে সব কিছু টেপ রেকর্ড করে নেয়। আজকাল থেকে গোপন নথিতে ওটা রেকর্ডার পাওয়া যায়। ডিপ্লোম্যাটদের পিছনে টিকটিকি গোয়েন্দাগিরি করে। ইউরোপে কথাবার্তা নিরাপদ নয়। বড় বড় দেশের অনেক সামর্থ্য, কত কিছুই তারা করতে পারে। কিন্তু ঐ ছোট দেশ আক্রমণাধীন!

(ঙ)

বয়নীর ধারা বয়ে চলেছে যুগ-যুগান্তর ধরে। সময় হল তার প্রোথিত সময়ের তলায় হয়ে তৈরি হয় ইতিহাস। আজ যা বর্তমান, কাল তা ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই পায়। এই ইতিহাসের অসংখ্য রূপ কালের খাতায় লেখা হয়ে থাকে, তাকে খুলে বের করেন মহান গবেষকরা। তেমনই এক তরুণ গবেষক বিশ্বরূপ সম্প্রতি এই প্রতিভাবান তরুণ পেশায় একজন ঐতিহাসিক বিশেষজ্ঞ এবং উৎকর্ষ কর্মরত। এছাড়াও নিয়মিত সংগীতের তালিম নিয়ে থাকেন। তাঁর গবেষণার কাজ অসাধারণ কর্ম, তাঁর লেখা বই হলো ‘ইতিহাসের গন্ধহীন’। আলোচনা প্রসঙ্গে তাঁরই বাংলা অনুবাদ।

অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘ইতিহাসের শিক্ষাদাতা উপাখ্যান সত্য ইতিহাস লেখার চেয়ে অনেক বেশি বৈজ্ঞানিক ও হৃদয়স্পর্শী।’—বিষয় ঠিক এই কথাটি মনে রেখেই মুক্তির ভূমিকায় এক অনন্যসাধারণ সংগীতশিল্পীর ঐতিহাসিক জীবনী, যা পড়তে গেলে যে-কোনও সংগীতপ্রেমী পাঠক অভিভূত রোমাঞ্চ বোধ করবেন।

শৈশব থেকেই গবেষণাকে আঁকড়ে থাকতে...

(চ)

হয়েছে অত্যন্ত দারিদ্র্য ও কষ্টের সঙ্গে লড়াই করে এবং এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে। এ যেন ঠিক সূর্যোদয়ের আগের অন্ধকার মুহূর্ত! আবার তার জীবনে হয়েছে সূর্যোদয়, উন্মোচন হয়েছে ভালোবাসা। আবার সেই সূর্য যেমন দিনশেষে অস্তমিত হয়ে আসে, তেমনভাবেই তার জীবনের রং ধীরে ধীরে হারিয়ে দিয়েছে কালের গর্ভদেশে। তার জীবনকাহিনি হয়ে গিয়েছে সময়ের মাঝে, ইতিহাস হয়ে।

বইটি শুরু হয় অ্যাপেন্ডিক্সের মাধ্যমে, যখন গন্ধরের জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মর্ত্যের প্রবাস শুরু করেন সোমালের রাহুলবাবুর গাড়িকা হয়ে। তোমার প্রসাদময় মনে হয় যেন

এটি উপন্যাস পড়তে শুরু করলাম। বিভিন্ন অধ্যায়ে বইটিকে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রায় প্রতিটি অধ্যায় শুরু হয়েছে বিভিন্ন কবির লেখা শ্লোক এবং তার ভাবানুবাদ দিয়ে, যা পাঠকের মনে এক নতুন রস সঞ্চার করবে। এই শেষদিনের মধ্যে যেন কবিতাটি বর্ণি মন্দাক্রান্তা-এর লেখা, যিনি ছিলেন গন্ধরের মা। এর পরের অধ্যায়ে লেখক চলে আসেন সরাসরি ইতিহাসে—ঘটনার শুরু উত্তরপ্রদেশের রাজাপুর শহরে। তার বিস্ময়কর ঘটনার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি গন্ধর্বসেনের জন্মবৃত্তান্ত এবং তার ও তার মায়ের প্রবল সংগ্রামের কাহিনি। গন্ধর্বের শরীরে ছিল ব্রিটিশ রক্ত।

 

 

 

❓ Frequently Asked Questions (FAQs)
Q: How will I receive the PDF?
A: Immediately after payment, the download link will appear and be sent to your email.

Q: Is this hand-written or typed?
A: This is a professional typed computer PDF. You can use it as a reference for your handwritten submission.

Get the full solved PDF for just Rs. 15

Top